কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ, ফেসবুকে অশ্লীল ছবি

কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ, ফেসবুকে অশ্লীল ছবি

কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ, ফেসবুকে অশ্লীল ছবি
Apr 15
00:222018
87

গত শুক্রবার রাত ৯টায় দৌলতপুর থানার পুলিশ মধ্যেডাঙ্গার একটি শালিসি থেকে রানা হাওলাদরকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন মালায় কোর্ট হাজতে পাঠিয়েছে। 
অভিযুক্ত রানা দৌলতপুর মধ্যেডাঙ্গা প্রাইমারি স্কুলের পেছনে আদম আলী হাওলাদারের ছেলে। সে একটি মোবাইল ফোনের দোকানের কর্মচারী।

অভিযোগে জানা গেছে, মোবাইলে গান ও গেমস আপলোড করতে গিয়ে রানার সঙ্গে পরিচয় হয় একই গ্রামের এক কলেজছাত্রী।
এক পর্যায়ে রানার সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সুযোগে রানা মেয়েটিকে বিয়ের লোভ দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।
রানা মেয়েটির বিবস্ত্র উলঙ্গ ছবি গোপনে মোবাইলে ধারণ করে। মেয়েটি বিয়ের কথা বললে রানা উলঙ্গ ছবি দেখিয়ে মেয়েটিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিয়ে না করার টালবাহনা শুরু করে।
এতে মেয়েটি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পরিবারের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হয়। মেয়েটির পরিবার থেকে রানাকে সমাধান করার কথা বললে রানা মেয়েটির বিবস্ত্র ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়।
 পরে রানা মেয়েটির নামে একটি আইডি খুলে অশ্লীল ছবিগুলো আপলোড করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়।
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে এলাকাবাসী কয়েকবার শালিস বৈঠক করে। কিন্তু রানা কিছুইতেই মেয়েটিকে বিয়ে করবে না বলে জানায়। গত শুক্রবার রাতে স্থানীয় দাউদ আলী নামে গ্রামের এক ব্যাক্তির বাসায় এ বিষয়ে শালিস হয়। 
শালিসিতে রানার পারিবার বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে হামলা চালায়।
এ সময় পুলিশ খবর পেয়ে রানাকে গ্রেপ্তার করে। রানার নামে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। এ মামলায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
 এদিকে ফেসবুকে ছবি ছড়িয়ে দেয়ার অপরাধে রানার নামে তথ্য প্রযুক্তি আইনে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
দৌলতপুর থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবির জানান, মেয়েটি তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একটি অভিযোগ করেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে এ অভিযোগটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

নির্বাচিত সংবাদ

More Articles

অনলাইন জরিপ

সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী দেড় বছরের মধ্যে প্রতিটি জেলায় ফোর-জি সেবা চালু হবে বলে মনে করেন কি?

পুরোনো ফলাফল