মাত্র আড়াই ঘণ্টায় পৌঁছে যাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম বুলেট ট্রেন ! বিস্তারিত জানতে পরুন...

মাত্র আড়াই ঘণ্টায় পৌঁছে যাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম বুলেট ট্রেন ! বিস্তারিত জানতে পরুন...

মাত্র আড়াই ঘণ্টায় পৌঁছে যাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম বুলেট ট্রেন ! বিস্তারিত জানতে পরুন...
Apr 18
05:092018
72

ঢাকা থেকে কুমিল্লার লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত চালু করা হবে বুলেট ট্রেন।এই ট্রেনে মাত্র আড়াই ঘণ্টায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা বা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়া-আসা যাবে। আর এই বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে সরকারের খরচ হবে ৩২ কোটি টাকা।

দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত ২৬তম চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৮ এ অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে এ্যাওয়ার্ড প্রদান ও সমাপনী অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এমপি এ কথা বলেন।
রেলমন্ত্রী বলেন, এ প্রকল্প সমীক্ষাধীন রয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম ডুয়েল গেজ মাত্র ৭২ কিলোমিটার অবশিষ্ট আছে যা অচিরেই সম্পন্ন হবে। এছাড়া কর্ণফুলী নদীর ওপর দিয়ে কালুরঘাট ব্রিজের বিকল্প হিসেবে রেল ও সড়ক সেতু এবং চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী হয়ে রামু-কক্সবাজার ও রামু-ঘুনধুম রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
এ সময় তিনি রেল খাতে সরকারের ১৬ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বন্ধ ১৪০টি রেল স্টেশন পুনরায় চালু করা, রেললাইন ও রেল ব্রিজ সংস্কারে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বর্ণনা করেন।

মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামসহ ব্যবসায়ী সমাজ দেশে শিল্পায়ন ও লক্ষ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি আগ্রাবাদ ডেবা সৌন্দর্য বর্ধনের দায়িত্ব আবেদনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম চেম্বারের অনুকূলে বরাদ্দ দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।
চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)মো. দেলোয়ার হোসেন, চেম্বার সহ-সভাপতি ও মেলা কমিটির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ জামাল আহমেদ বক্তব্য রাখেন।
হাইস্পিড ট্রেনের ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রসঙ্গে রেলের কর্মকর্তারা বলেন, সমীক্ষা ও ডিজাইনের পর রেলের উদ্যোগে বিভিন্ন দাতা সংস্থা বা অন্য উৎস থেকে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হবে। হাইস্পিড ট্রেন চালু হলে ঢাকা থেকে ২ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে যাওয়া সম্ভব হবে। বিমানযোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম গিয়ে বিমানবন্দর থেকে দুই নগরী পর্যন্ত সড়কপথে যাতায়াতের সময় যোগ করলে আকাশপথের চেয়েও এতে সময় সাশ্রয় হবে। এ ছাড়া সহজ হবে পণ্য পরিবহনও। কারণ রাতের একটা বড় অংশের যাত্রীদের যাতায়াতের তেমন প্রয়োজন হবে না। তখন ওই পথে চলবে পণ্য পরিবহন।

বর্তমানে ঢাকা থেকে টঙ্গী –ভৈরব বাজার-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছে। ফলে ভ্রমণে অনেক বেশি সময় লাগছে।
ঢাকা থেকে কুমিল্লার লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হাইস্পিড ট্রেন লাইন নির্মিত হলে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরত্ব ও প্রায় দুই ঘণ্টা সময় কমবে। তখন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব দাঁড়াবে ২৩০ কিলোমিটার। এ পথে ট্রেন চলবে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে। ফলে ঢাকা থেকে দুই ঘণ্টায় পৌঁছানো যাবে চট্টগ্রামে।

নির্বাচিত সংবাদ

More Articles

অনলাইন জরিপ

সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী দেড় বছরের মধ্যে প্রতিটি জেলায় ফোর-জি সেবা চালু হবে বলে মনে করেন কি?

পুরোনো ফলাফল